মোঃ ইমরান মাহমুদ, জামালপুর প্রতিনিধিঃ
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় কম্বল বিতরণ করেছে বায়োজিন কসমেসিটিক্যাল।
শুক্রবার (০২ জানুয়ারী) সকালে উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের মুন্সি নাংলা গ্রামের গ্রীন বায়োটেকনোলজি কারখানার একটি মাঠে এ কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
সকালে কনকনে শীত উপেক্ষা করে উপজেলার মুন্সি নাংলা গ্রামের নিতে জড়ো হন মুন্সি নাংলা, নলকুড়ি, চারাইলদার ও দেউলাবাড়ি গ্রামের শীতার্ত বয়োজ্যেষ্ঠ নারী-পুরুষেরা।
এ সময় বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ জাহিদুল হক, চিফ অপারেটিং কর্মকর্তা (সিওও) শারমিন আলম ও নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কিসমত পাশাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এরআগেও গত সপ্তাহে মুন্সি নাংলা গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ নারী-পুরুষেরা ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নতুন কম্বল বিতরণ করে প্রতিষ্ঠানটি।
কম্বল পেয়ে ৫৭ বছর বয়সী নাংলা গ্রামের তোতা মিয়া বলেন, ‘কৃষি কাম-কাজ কইরে চলি। হারা দিন (সারা দিন) খেতে কাম করি। হন্ধ্যে (সন্ধ্যা) বেলা বাইত (বাড়ি) যাই। অহন (তখন) খুব জাড় লাগে। আমগোরে এলাকায় বেশি জাড়। খেতা (কাঁথা) দিয়ে জাড় কাটে না। আইতে হাইরে জাড় করে! বাবাগো, তুমগোরে কম্বলডা পাইয়া খুব উপকার হইলো। কম্বলডা গায়ে দিয়ে আইতের বেলায় শান্তিতে ঘুমামু (ঘুমানো)।’
কম্বল বিতরণের সময় বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ জাহিদুল হক বলেন, ‘তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে নিশ্চয় শীতার্ত দরিদ্র ও অসহায় মানুষেরা কষ্ট করছেন। প্রচ- হিমেল হাওয়ার কারণে অসহায় অনেক মানুষ দিশেহারা। এসব শীতার্ত মানুষের কিছুটা কষ্ট লাঘবে আমাদের এই উদ্যোগ। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু দায়িত্ব নয়, বরং মানবিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালস ভবিষ্যতেও দেশব্যাপী এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।’
এমআই