নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) সই করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাপানের রাজধানী টোকিওতে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান উপস্থিত থাকবেন।
ভুটানের সঙ্গে অগ্রাধিকার বাণিজ্যচুক্তি (পিটিএ) ছাড়া এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের আর কোনো দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নেই। জাপানের সঙ্গে ইপিএ সইয়ের মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। সরকারের আশা, এতে শুধু পণ্য বাণিজ্য নয়, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারনির্ভরতা কিছুটা কমে জাপান বাংলাদেশের একটি বড় বাজারে পরিণত হতে পারে। তবে চুক্তি বাস্তবায়নে কিছু ঝুঁকিও থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশ-জাপান ইপিএর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। তখন দর-কষাকষির ভিত্তি তৈরিতে একটি যৌথ গবেষণা দল গঠন করা হয়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে ১৭টি খাত চিহ্নিত করে সমন্বিতভাবে আলোচনা এগোনোর সুপারিশ করা হয়।
এর আগে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, চুক্তি সইয়ের দিন থেকেই বাংলাদেশের ৭৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে তাৎক্ষণিকভাবে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। অন্যদিকে জাপানের ১০৩৯টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে একই সুবিধা পাবে। ইপিএর মাধ্যমে বাংলাদেশের ৯৭টি উপখাত জাপানের জন্য উন্মুক্ত হবে। অন্যদিকে, জাপানের ১২০টি উপখাত উন্মুক্ত হবে বাংলাদেশের জন্য। পণ্যের পাশাপাশি সেবা, বিনিয়োগ এবং সহযোগিতাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
একে