বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রেফতারের ৬ দিন পরেই মৃত্যুদণ্ড

ইরানে বিক্ষোভে অংশ এরফানকে শেষবার দেখতে ১০ মিনিট সময় পাচ্ছে পরিবার

বুধবার, জানুয়ারী ১৪, ২০২৬
ইরানে বিক্ষোভে অংশ এরফানকে শেষবার দেখতে ১০ মিনিট সময় পাচ্ছে পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে এরফান সোলতানি নামে এক তরুণকে ফাঁসি দিতে চলেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ফাঁসির আগে তাকে শেষবার দেখার জন্য মাত্র ১০ মিনিট সময় পাচ্ছে পরিবার।

নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হেনগাও জানায়, তেহরানের বিপরীত পাশে ফারদিস এলাকার বাসিন্দা এরফান সোলতানিকে ছয়দিন আগে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। দ্রুততার সঙ্গে বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করে বুধবারই তাকে ফাঁসি দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। সরকারের বিরোধী কণ্ঠ দমাতে তেহরান প্রশাসন যে কঠোর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে, এরই অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছে তারা।

সংগঠনটি জানিয়েছে, এরফানের পরিবার গত সোমবার তার মৃত্যুদণ্ডের খবর পায়। তবে অভিযোগ বা বিচারপ্রক্রিয়া সম্পর্কে কোনো তথ্য তাদের দেওয়া হয়নি।

হেনগাওয়ের প্রতিনিধি আরিনা মোরাদি ডেইলি মেইলকে জানান, গ্রেফতারের পর কয়েকদিন এরফানের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। হঠাৎ করেই পরিবারকে ফোন করে জানানো হয় তাদের ছেলেকে বুধবার ফাঁসি দেওয়া হবে। সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, ফাঁসির আগে তাকে মাত্র ১০ মিনিট পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হবে।

ডেইলি মেইলের তথ্য অনুযায়ী, এরফান স্থানীয় একটি পোশাকের দোকানের মালিক। তার বোন একজন আইনজীবী হলেও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, ইরানি কর্তৃপক্ষ তাকে ভাইয়ের মামলার নথিপত্র দেখার সুযোগ দেয়নি।

হেনগাওয়ের হিসাব অনুযায়ী, বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৮ হাজার ৪৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রথম মৃত্যুদণ্ডের মুখে পড়ছেন ২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানি।

কী অভিযোগে তার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে—সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই। কর্তৃপক্ষ শুধু জানিয়েছে, তিনি ফারদিস এলাকায় বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন।

ইরানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া নতুন কিছু নয়। নরওয়েভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালের পর থেকে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে প্রায় এক হাজারে পৌঁছেছে। সংগঠনটির তথ্য বলছে, কার্যকর হওয়া মৃত্যুদণ্ডের প্রায় ৯৯ শতাংশই হত্যা বা মাদকসংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। তবে অধিকারকর্মীরা বলছেন, সরকার যখন হুমকি অনুভব করে তখন এই হার আরও বেড়ে যায়।

এমআই 


Somoy Journal is new coming online based newspaper in Bangladesh. It's growing as a most reading and popular Bangladeshi and Bengali website in the world.

উপদেষ্টা সম্পাদক: প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ

যোগাযোগ:
এহসান টাওয়ার, লেন-১৬/১৭, পূর্বাচল রোড, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ
কর্পোরেট অফিস: ২২৯/ক, প্রগতি সরণি, কুড়িল, ঢাকা-১২২৯
ইমেইল: somoyjournal@gmail.com
নিউজরুম ই-মেইল : sjnewsdesk@gmail.com

কপিরাইট স্বত্ব ২০১৯-২০২৬ সময় জার্নাল