নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক দল থেকে পঞ্চগড়-১ আসনের মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, এটা নতুন বাংলাদেশ। এখানে কাউকে প্রশ্নের বাইরে রাখা হবে না। কাউকে নতুন করে স্বৈরাচার হতে দেওয়া হবে না।
তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, তারেক রহমান বিএনপির পক্ষ থেকে যাদের মনোনয়ন দিয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন ঋণখেলাপি, যারা ব্যাংক থেকে নেওয়া টাকা আর ফেরত দেননি। ওই ১৫ জন ব্যক্তির ব্যাংক থেকে নেওয়া অর্থ হলো জনগণের টাকা। ভয়ঙ্কর বিষয় হচ্ছে, তারা সবাই মিলে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের ফুলবাড়ি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম প্রশ্ন রেখে বলেন, যারা এখনো এমপি হয়নি, ক্ষমতায় যায়নি তারা যদি ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই ছয় হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে, তাহলে নির্বাচনের পরে তাদের দিয়ে কত হাজার কোটি টাকা লুটপাট করাতে চান?
তিনি আরও বলেন, চার দিন আগে শেরপুরে উপজেলা জামায়াতের এক নেতাকে বিএনপির কর্মীরা প্রকাশ্যে হত্যা করেছে। গত দেড় বছরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিজেদের দুই শতাধিক কর্মী নিহত হয়েছেন। এ সময় তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে নিজেদের কর্মীদের মধ্যে সহিংসতা বন্ধ করার আহ্বান জানান।
সভায় সারজিস আলম বলেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে আসিনি। কামড়াকামড়ির রাজনীতি করতেও আসিনি। আমরা জনগণের জন্য কাজ করতে এসেছি। এই আসনে কেউ যদি ধানের শীষে ভোটও দেন, আর যদি শাপলা কলি বিজয়ী হয়, তাহলে আগামী পাঁচ বছরে কেউ আমাদের দ্বারা কোনো অন্যায়ের শিকার হবেন না। তবে তাদের কোনো নেতাকর্মী যদি কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একে