আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে থাকা নদী ও জলাভূমি এলাকায় সাপ ও কুমির ব্যবহার করতে চায় ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। এ সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে মাঠ পর্যায়ের ইউনিটগুলোকে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশ জারি করা হয়নি।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, সীমান্তের যেসব দুর্বল অংশে প্রচলিত কাঁটাতারের বেড়া বসানো সম্ভব নয়, সেসব জায়গার জন্য এই ধারণা বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রায় ৪,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মধ্যে প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার নদী ও জলাভূমি এলাকা রয়েছে। যেখানে শারীরিক বাধা দিয়ে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
সীমান্ত নিরাপত্তায় ‘ডিটারেন্স-ফার্স্ট’ বা প্রতিরোধমূলক কৌশলের অংশ হিসেবে কর্মকর্তাদের সম্ভাব্য নদীপথগুলো চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। তবে প্রস্তাবটি এখনো আলোচনার পর্যায়েই রয়েছে, ভবিষ্যতে বাস্তবায়ন হবে কি না তা অনিশ্চিত।
এদিকে, বিএসএফ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও বাড়াচ্ছে—যার মধ্যে রয়েছে ড্রোন, সেন্সর, ক্যামেরা এবং অন্যান্য উন্নত নজরদারি ব্যবস্থা। পূর্ব সীমান্তে চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এ উদ্যোগের কথা সামনে এসেছে।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাহাড়, নদী ও উপত্যকা অতিক্রম করে এই সীমান্ত বিস্তৃত। এসব কঠিন ভূখণ্ডেও বিএসএফ নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অপরাধ ঠেকাতে ধাপে ধাপে আলোকসজ্জাসহ সীমান্ত বেড়া নির্মাণ করা হচ্ছে।
একে