নিজস্ব প্রতিবেদক:
'জুলাই সনদ' অনুযায়ী সংস্কার সম্পন্ন করতে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১৫ দিনের টানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা ১১টি রাজনৈতিক দল।
আগামী শনিবার (১৮ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়ে ২ মে পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারস্থ আল ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দল আয়োজিত 'চলমান আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এর আগে বেলা ১১টায় আল ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। চলমান আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যেই এই বৈঠক আয়োজন করা হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহ জানাতেই পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, '২ মে'র পর থেকে বিভাগীয় শহরে সমাবেশ হবে। ১২টি সিটি করপোরেশনে বিক্ষোভ সমাবেশ হবে। এসব সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। এই রাউন্ড শেষ হওয়ার পর রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ হবে, সেটির তারিখ পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।'
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বর্তমান সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মুস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার প্রমুখ।
আন্দোলনের বিস্তারিত সূচি তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, 'আগামী শনিবার ১১ দলের উদ্যোগে ঢাকায় গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৫ এপ্রিল ঢাকা ছাড়া বাকি সব বিভাগীয় শহরে গণমিছিল হবে। আগামী ২ মে সারাদেশে প্রতিটি জেলা শহরে গণমিছিল হবে।'
ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় শনিবার থেকে ২ মে পর্যন্ত প্রতিদিন দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরগুলোতে লিফলেট বিতরণ ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এমআই