নিজস্ব প্রতিবেদক:
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়ে শেষ হবে ৮ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে।
বুধবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ রুটিন প্রকাশ করে।
রুটিন অনুযায়ী, শুরুর দিনে বাংলা প্রথম প্রত্র (আবশ্যিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ৮ আগস্ট শেষ দিনে ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা – ২য় পত্র, শিশু বিকাশ ২য় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। আবার দ্বিতীয় শিফটে বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে।
পরীক্ষার্থীদের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল, রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
ব্যবহারিক বিষয় সম্বলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট। পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় পর্যন্ত চলবে। এমসিকিউ এবং সিকিউ উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে: সকাল সাড়ে ৯টায় অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ। সকাল ১০টা বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ। সকাল সাড়ে ১০টায় বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।
২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ১০.২৫মিনিট।
দুপুর ২টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে: দুপুর দেড়টায় অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ। দুপুর ২টা বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ। দুপুর আড়াইটায় বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।
(২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ২.২৫মি.)
প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে হতে অন্তত ৭ দিন আগে সংগ্রহ করবে।
প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত উত্তরপত্রে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
পরীক্ষার্থীকে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশ পত্রে উল্লিখিত বিষয়, বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
পরীক্ষার্থীরা কাটাযুক্ত হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবে। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদিত সাধারণ সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।
পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না এবং কোন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবে না।
এমআই