বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে দীর্ঘ নারী নেতৃত্বের যুগের কি অবসান হচ্ছে

মঙ্গলবার, জানুয়ারী ৬, ২০২৬
বাংলাদেশে দীর্ঘ নারী নেতৃত্বের যুগের কি অবসান হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নব্বইয়ের দশক থেকে টানা তিন দশকের বেশি সময় ধরে সরকারপ্রধান ও বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে পর্যায়ক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। একজন যখন প্রধানমন্ত্রী, আরেকজন তখন বিরোধীদলীয় নেতা— ঘুরেফিরে এই দুই নারীর হাতেই ছিল রাষ্ট্রক্ষমতা। যদিও রাজনীতিতে নারীর আগ্রহ বা অংশগ্রহণ এই দীর্ঘ সময়ে বাড়েনি।

রাজনীতির নেতৃত্বে তারা থাকার মধ্যেই আরেক নারী জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ২০১৪ থেকে দুই মেয়াদে। তিনি এখন অসুস্থতা ও বয়সের ভারে রাজনীতি থেকে দূরে।

একজনের মৃত্যু, আরেকজনের ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভিনদেশে পলায়ন এবং তৃতীয়জনের রাজনীতিতে আসার ন্যূনতম সম্ভাবনা না থাকার প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে- তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ কী?

২০২৪ সালে গণআন্দোলনের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছরের নেতৃত্বের অবসান ঘটে। নব্বইয়ের পর তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্তও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

১৯৯১ থেকে ১৯৯৬, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ ও ২০০১-২০০৬ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খালেদা জিয়া। গত ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার প্রয়াণের মাধ্যমে দেশের রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ে নারী নেতৃত্ব কার্যত শূন্য। এক/এগারো সরকার এই দুই নারীকে বাদ দিয়ে মাইনাস ‘টু’ ফর্মুলা কার্যকর করতে চেয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সেসময় এই দুই নারীকে জেলেও নিয়েছিল সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, যদিও খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সূত্রে নেতৃত্বে উঠে এসেছিলেন, তবু দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতি করে তারা বাংলাদেশে নারী নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। বর্তমান বাস্তবতায় বড় দুই দলের নেতৃত্ব কাঠামোতে নারীদের দৃশ্যমান অনুপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে—দেশের রাজনীতি হয়তো আবার দীর্ঘ মেয়াদে পুরুষ নেতৃত্বকেন্দ্রিক ধারায় ফিরে যাচ্ছে।

কারণ, শেখ হাসিনা এখনো দলের সভানেত্রীর পদ না ছাড়লেও তার দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না দলটি। দেশে বিদ্যমান দলগুলোর মধ্যে বিএনপিতে খালেদা জিয়ার প্রয়াণের পর তারেক রহমানই দলের হাল ধরছেন-এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই।

দেশের আরেকটি বড় দল জামায়াতে ইসলামী মূলত পুরুষ নেতৃত্বে পরিচালিত। দলটির একটি নারী শাখা থাকলেও নেতৃত্বে বরাবরই পুরুষ। আসছে নির্বাচনে দেশের ৩০০ আসনের একটিতেও নারী প্রার্থী দেয়নি দলটি। তাই আসন্ন নির্বাচনে যে দলই জয়ী হোক না কেন দেশের নেতৃত্বে শিগগির কোনো নারী আসছেন না বলে ধারণা করছেন রাজনীতি বিশ্লেষকেরা।

এ বিষয়ে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান কমিশনার শিরীন পারভিন হক বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের আলোচিত দুই নেত্রীর দুজনই অনুপস্থিত। একজন ভয়ংকর সব অপরাধ করে দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন, আরেকজন দীর্ঘদিন অসুখে ভুগে মৃত্যুবরণ করেছেন- সেই বাস্তবতায় হয়তো সঙ্গে সঙ্গে আরেকজন নারী নেতৃত্বের শূন্যস্থান পূরণ করবে—এমনটা এখনই আশা করা কঠিন।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক দিলারা চৌধুরীর মতে, ‘খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে শীর্ষ পর্যায়ের নারী নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা তৈরি করেছিলেন, যা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।’ তবে তিনি মনে করেন, এই নেতৃত্ব মূলত পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার থেকে উঠে আসায় তা অনেকটাই প্রতীকী ছিল।

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মতো নারী নেতারা পুরুষশাসিত রাজনৈতিক পরিসরে দৃশ্যমান হয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা তৈরি করেছেন। কিন্তু এই দুই নেত্রীর অনুপস্থিতিতে এমন কোনো পরিবেশ বা দলীয় কাঠামো এখনো গড়ে ওঠেনি, যেখান থেকে নিজ যোগ্যতায় নতুন কোনো নারী শীর্ষ নেতৃত্ব উঠে আসতে পারেন।’

দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘বাস্তবতা হলো, আগামী দিনে বিএনপি বা অন্য রাজনৈতিক দলের ভেতরে খালেদা জিয়ার মতো শীর্ষ পর্যায়ের কোনো নারী নেতৃত্ব গড়ে ওঠার সম্ভাবনা এখন চোখে পড়ে না। দলগুলোর অভ্যন্তরে এমন কোনো নারী সংগঠিত কাঠামো বা নেতৃত্ব তৈরির প্রক্রিয়াই নেই, যেখান থেকে কেউ উঠে আসতে পারেন। ফলে সামনে আমরা হয়তো রাজনীতিতে প্রধানত পুরুষ নেতৃত্বই দেখতে পাবো।’

তবে রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নারী নেতৃত্ব গড়ে তোলার দাবি নারী আন্দোলনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে উত্থাপিত হচ্ছে। এই দাবি কেন্দ্র করে নারী আন্দোলনের পক্ষ থেকে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম নামে একটি মঞ্চ তৈরি হয়েছে, যেখানে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর প্রায় এক বছর ধরে তারা ধারাবাহিকভাবে দাবি জানিয়ে আসছে—রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নারী নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে থাকা নারীরাও চাইছেন, নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরামের পক্ষ থেকে যেন এই চাপ রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর অব্যাহত রাখা হয়।

‘কিন্তু বাস্তবতা হলো, রাজনৈতিক দলগুলো এখনো সে অর্থে প্রস্তুত নয়। সাম্প্রতিক সময়ে মনোনয়নের চিত্র দেখলেই তা স্পষ্ট—যে সংখ্যক নারী প্রার্থী আশা করা হয়েছিল, বাস্তবে তার কাছাকাছিও মনোনয়ন পাননি। ফলে এই মুহূর্তে খুব আশাজাগানিয়া কিছু চোখে পড়ছে না, যদিও ভবিষ্যতে পরিবর্তনের আশা থাকছেই,’ বলেন নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা শিরীন হক।

আগামী সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো থেকে ৩৩ শতাংশ নারী প্রার্থীর মনোনয়নে বাধ্যবাধকতা আরোপসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছে ‘নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম’। পাশাপাশি নির্বাচনি আইন সংস্কারের দাবি জানান ফোরামের প্রতিনিধিরা।

বৈঠকে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) ২০৩০ সালের মধ্যে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার বিধানটি যুক্ত রাখার বিষয়ে ফোরামের প্রতিনিধিদের জানায়।

বাংলাদেশের রাজনীতির শীর্ষে থাকা দুই নারী নেত্রীই পারিবারিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকেই উঠে এসেছিলেন, তবে সময়ের সঙ্গে তারা নিজ নিজ দলে শক্ত অবস্থান গড়ে তোলেন।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়লে ১৯৮১ সালে দলটির সভাপতির দায়িত্ব পান শেখ হাসিনা। দেশে ফিরে তিনি দ্রুত বিরোধী রাজনীতির মুখ হয়ে ওঠেন এবং ১৯৯৬ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন। এরপর ২০০৮ সালে ক্ষমতায় ফিরে টানা একাধিক মেয়াদে সরকার পরিচালনা করেন, যা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর বিএনপিতে নেতৃত্ব সংকট তৈরি হলে খালেদা জিয়া রাজনীতিতে আসেন। ১৯৮৪ সালে তিনি দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী চার দশক বিএনপির নেতৃত্ব দেন। তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী সরকারপ্রধান হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নেন।

নেতৃত্বে থাকলেও তারা নারীদের রাজনীতিতে আনতে পারেননি
রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা দলের মধ্যে টেকসই নারী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে পারেননি। কখনো কখনো নারীদের নেতৃত্বে আনা হলেও পরিবারকে প্রাধান্য দেওয়ায় মাঠের যোগ্যতা কাজে আসেনি। ফলে বর্তমানে যে নারী নেতৃত্বের শূন্যতা দেখা যাচ্ছে, তার দায় এড়ানো কঠিন।

এমনকি ২০২০ সালের মধ্যে সব কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কোটা পূরণ হয়নি এবং ২০৩০ সালের লক্ষ্যেও কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যায়নি। বড় দুই দল ছাড়াও বাম দলগুলোও এই লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি।

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান কমিশনার শিরীন পারভিন হক বলেন, ‘তৃণমূল পর্যায়ে নারী কর্মীর অভাব নেই, কিন্তু তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে গণতান্ত্রিক চর্চা ও সদিচ্ছার ঘাটতির কারণেই নারী নেতৃত্ব বিকশিত হয়নি।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘প্রকৃত নেতৃত্ব রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই গড়ে ওঠে। কিন্তু আওয়ামী লীগ বা বিএনপি—কোনো দলেই নারীদের জন্য সেই প্রক্রিয়াগত জায়গা তৈরি হয়নি। কেন্দ্রীয় কমিটি কিংবা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের উপস্থিতি এখনো খুবই সীমিত।’

১৯৭৯ সালের তৃতীয় সংসদে প্রথমবার একজন নারী সরাসরি নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৮৬ সালে পাঁচজন ও ১৯৮৮ সালে চারজন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও ওই নির্বাচনগুলোতে মোট নারী প্রার্থীর সংখ্যা জানা যায় না। ১৯৯১ সালে ৩৯ জন নারী প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন, ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনে ৩৬ জনের মধ্যে আটজন, ২০০১ সালে ৩৮ জনের মধ্যে ছয়জন এবং ২০০৮ সালে ৫৯ জনের মধ্যে ১৯ জন নারী সংসদে পৌঁছান। ২০১৪ সালের নির্বাচনে ২৯ জন নারী প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জন নির্বাচিত হন। পরে উপ-নির্বাচন ও শূন্য আসনে আরও পাঁচজন নারী সংসদ সদস্য যোগ হন।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৯ জন নারী প্রার্থীর মধ্যে ২২ জন সরাসরি নির্বাচিত হন, যা ছিল সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৯৬ জন নারী প্রার্থীর মধ্য থেকে ১৯ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনে দুজন তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের জেন্ডার অ্যান্ড গভর্ন্যান্স বিশ্লেষক লিপিকা বিশ্বাস বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের কমিটিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়লেও সাধারণ আসনে তাদের নমিনেশন আশঙ্কাজনকভাবে কম।’

তিনি বলেন, ‘বড় দলগুলোতেও ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়নি এবং পারিবারিক বা ব্যাকগ্রাউন্ডভিত্তিক প্রাধান্য দেওয়ার কারণে যোগ্য নারীরা প্রার্থী হতে পারছেন না।’

লিপিকা বিশ্বাসের আশঙ্কা, ‘এই অবস্থা পার্লামেন্টে নারীর প্রতিনিধিত্ব আরও কমিয়ে দিতে পারে। নিরাপদ পরিবেশ, সুযোগ ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ছাড়া নারীদের নেতৃত্বে আসা কঠিন এবং ভোটারদেরও নারীবান্ধব দলগুলোকে সমর্থন দেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে।’

পরবর্তী প্রজন্মেই ভরসা
এমন পরিস্থিতিতে খুব শিগগির না হলেও অদূর ভবিষ্যতে নতুন পরবর্তী প্রজন্মের হাত ধরে আবারও দেশের বড় দলগুলোর নেতৃত্বে নারীকে দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন অনেকে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জায়মা জারনাজ রহমানের রাজনীতিতে আসার খবর এখন বেশ তীব্র হচ্ছে। বাবার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি সেই ইংগিতই দিয়েছিলেন। খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাতে জায়মার উপস্থিতি যেন তার রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার খবরকে আরও জোরালো করে। তিনি রাজনীতিতে এলে ধীরে ধীরে বিএনপির নেতৃত্বেও আসবেন এমন ধারণাও করা হচ্ছে। তবে সেটা সময়সাপেক্ষও।

অন্যদিকে শেখ হাসিনার পর দলের নেতৃত্বে কে আসবেন সে আলোচনায় এগিয়ে তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তবে দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ফেরার ওপর নির্ভর করছে সেসব বিষয়।

দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা এখনো দলীয় প্রধান হিসেবে আছেন ঠিকই, কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—তিনি কি আবার সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেবেন? তার ফিরে আসার সম্ভাবনা কতটা বাস্তব, তা অনিশ্চিত। ভবিষ্যতে যদি উত্তরাধিকারসূত্রে তার কন্যার মাধ্যমে আবার কোনো নারী নেতৃত্ব আসে, সেটিও হবে প্রতীকী নেতৃত্ব—প্রক্রিয়াগত ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উঠে আসা নেতৃত্ব নয়।’

একে 


Somoy Journal is new coming online based newspaper in Bangladesh. It's growing as a most reading and popular Bangladeshi and Bengali website in the world.

উপদেষ্টা সম্পাদক: প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ

যোগাযোগ:
এহসান টাওয়ার, লেন-১৬/১৭, পূর্বাচল রোড, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ
কর্পোরেট অফিস: ২২৯/ক, প্রগতি সরণি, কুড়িল, ঢাকা-১২২৯
ইমেইল: somoyjournal@gmail.com
নিউজরুম ই-মেইল : sjnewsdesk@gmail.com

কপিরাইট স্বত্ব ২০১৯-২০২৬ সময় জার্নাল