রাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবিপ্রবি) গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্যাটেন্ট সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।
সেমিনারটি বুধবার(২৮ জানুয়ারি) সকাল ১১ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইনে উপস্থিত থেকে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান । কী-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানী লিমিটেড (বিএসসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে সেমিনারকে সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করে বলেন, “গোটা বিশ্ব এখন গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্যাটেন্ট নিয়ে কাজ করছে। আগামীর পৃথিবীতে ও জ্ঞানের জগতে নিজের মেধাস্বত্ব নিয়ে টিকে থাকতে হলে আমাদেরকে এখন থেকে এ বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে।”
কী-নোট স্পিকার ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান তাঁর উপস্থাপিত প্রবন্ধে প্যাটেন্ট সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, উদ্ভাবনী আইডিয়াকে স্টার্টআপ ও শিল্পখাতে রূপান্তরের সুযোগ সৃষ্টি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক দিক থেকে এসব বিষয় উপস্থাপন করে অংশগ্রহণকারীদের উদ্বুদ্ধ করেন।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ জুনাইদ কবির, আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক ও ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তালেব, আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানজিম মাহমুদ এবং আইকিউএসি (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও উপ-রেজিস্ট্রার (একাডেমিক) মাহবুব আরা।
উল্লেখ্য, সেমিনারের লক্ষ্য ছিল জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা, উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করা এবং গবেষণার ফলাফলকে প্যাটেন্টের মাধ্যমে বাণিজ্যিকীকরণ করে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখা। ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে গবেষণা ও উদ্ভাবনকে টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। আয়োজকরা আশা করছেন, এই সেমিনার বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের মধ্যে সহযোগিতা বাড়িয়ে নতুন প্রযুক্তি, পণ্য ও সেবা উদ্ভাবনের পথ উন্মুক্ত করবে।
এই ধরনের উদ্যোগ রাবিপ্রবিকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এমআই