বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২৬
খুবি প্রতিনিধি :
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গানের সংগঠন ‘ভৈরবী’-এর ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি-২০২৬ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ইংলিশ ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো: রেজোয়ানুল হক রাদ এবং সমন্বয় সচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন শিক্ষা ও গবেষণা ডিসিপ্লিনের একই বর্ষের শিক্ষার্থী রাহুল সরকার।
নতুন কমিটিতে সহ-প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কৌশিক সাহা। সহ-সমন্বয় সচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন হাবিবুল্লাহ খান ও প্রমা সাহা।
এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তন্বী আক্তার ও মাহবুবুর রহমান আকাশ এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন নিহার রঞ্জন মুখার্জি।
অর্থ সমন্বয়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাজিয়া মাহিন মিথী এবং সহ-অর্থ সমন্বয়ক হিসেবে রয়েছেন প্রমা বনিক ও পূজা বসু।
কমিটিতে দপ্তর সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অমিত দাশ ও সাদিয়া ইসলাম এবং সহ-দপ্তর সমন্বয়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মো: রাফিন মাহফুজ।
প্রচার সমন্বয়ক হিসেবে রয়েছেন সায়ন্তনী সরকার শিখী ও বাহারুল ইসলাম এবং সহ-প্রচার সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মংহ্লাশিং মারমা।
সাংস্কৃতিক সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রনব সরকার ও আসিবুর রহমান সাইব এবং সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন সাংপু চাকমা।
এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ সমন্বয়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আসিবুর রহমান সিফাত ও মো: মোনায়েম খান সজীব এবং সহ-তথ্য ও যোগাযোগ সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তৃশা সরকার।
কমিটিতে নির্বাহী সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সুদীপ্ত সাহা দীপ, গৌরব ঘোষ, তনুশ্রী মজুমদার, শুভদীপ গোলদার, প্রজ্ঞা হক এবং তাসমিয়া হাসান।
নতুন প্রধান সমন্বয়ক মো: রেজোয়ানুল হক রাদ বলেন,
“ভৈরবী–খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকরী কমিটি ২০২৬-এর প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে আমি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ভৈরবী আমার কাছে শুধু একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন নয়, এটি আবেগ, শৃঙ্খলা ও সৃষ্টিশীলতার এক অনন্য পরিবার।”
তিনি আরও বলেন,
“সকল সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সিনিয়রদের অভিজ্ঞতা এবং নবীনদের উদ্যমের মাধ্যমে ভৈরবীকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী একটি সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্মে রূপ দেওয়া সম্ভব। আমরা ভৈরবীর গৌরবময় ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আগামী দিনে আরও ইতিবাচক ও অর্থবহ কার্যক্রম উপহার দিতে চাই।”
তিনি জানান, নতুন কমিটি সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও গতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার লক্ষ্যে কাজ করবে। নিয়মিত সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি মৌসুমি ও বিশেষ দিবসভিত্তিক অনুষ্ঠান, সদস্যদের জন্য কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, আন্তঃসংগঠন সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মানবিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও সক্রিয়ভাবে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, “সাংস্কৃতিক চর্চা কেবল বিনোদন নয়; বরং এটি মানবিক মূল্যবোধ, সহমর্মিতা ও সৃজনশীল চিন্তাকে বিকশিত করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম।”
একে