মো বাঁধন হোসেন, হাবিপ্রবি:
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ২৫তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করা হলেও আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের বানান ভুল, আয়োজনের ধরন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ কম থাকায় অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সকালে শহিদ আবরার ফাহাদ হল সংলগ্ন মাঠ থেকে একটি মিনি ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়। পরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যা, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির। এ সময় শান্তির প্রতীক হিসেবে পায়রা অবমুক্ত ও বেলুন উড়ানো হয়। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি র্যালি ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে।
সাধারন শিক্ষার্থীদের অভিযোগ প্রসাশন কতটা দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয় যে বিশ্ব বিদ্যালয়ের নাম সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারেনা তারা।
যেখানে সঠিক বানান “হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর-৫২০০”, সেখানে ভিন্নভাবে লেখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
এছাড়া আয়োজিত র্যালিটিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম ছিল বলেও অভিযোগ করেছেন অনেক শিক্ষার্থী। তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন গুরুত্বপূর্ণ দিনে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ থাকার কথা থাকলেও আয়োজনটি অনেকটা প্রশাসনকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে টিএসসি প্রাঙ্গণে কেক কাটা, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। তবে কেকের নকশা নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা দেখা গেছে। অনেকের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিকল্পনা ও উপস্থাপনার অভাব ছিল।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরা হলেও শিক্ষার্থীদের একাংশ মনে করছেন, আয়োজনের মান ও উপস্থাপনায় আরও পেশাদারিত্ব থাকা প্রয়োজন ছিল।
শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো আরও সুশৃঙ্খল ও শিক্ষার্থী অংশগ্রহণমূলকভাবে আয়োজন করা হবে।
এমআই