নিজস্ব প্রতিবেদক:
মামুনুল হককে ষড়যন্ত্র করে সংসদে যাওয়া ঠেকানো গেছে, কিন্তু রাজপথে তাকে থামানো সম্ভব নয়। আমরা সংসদে আছি জুলাই সনদ আর গণভোট বাস্তবায়নের কথা বলার জন্য। আর রাজপথে আছেন মামুনুল হক আর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। যদি প্রয়োজন হয়, রাজপথ আর সংসদ একাকার হয়ে যাবে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের গণসমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
দেশের মানুষ ভালো নেই উল্লেখ করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আমরা এখনো রয়ে সয়ে কথা বলছি। দেশের মানুষ ভালো নেই। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকট, হাম সংকট; বিরোধীদল সর্বত্র দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের চেষ্টা করছে। সরকারকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করছে। এসব নিয়ে আমরা রাজনীতি করতে চাইনি। কিন্তু সরকার বারবার কথার বরখেলাপ করছে।
ফ্যাসিবাদকে জনগণ প্রশ্রয় দেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দলীয়করণ করছে, প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণ করছে, গুন্ডা বাহিনী লেলিয়ে দিচ্ছে। বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ, দেশপ্রেমিক মানুষ এই নতুন করে জেগে ওঠা স্বৈরতন্ত্র, পুরোনো বন্দোবস্ত, পুরোনো সংস্কৃতিকে যারা টিকিয়ে রাখতে চায়, তাদেরকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবে না।
গণভোটের রায় প্রত্যাখ্যান করলে পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, যতক্ষণ না সরকার গণভোটের গণরায় মেনে নেবে, ততক্ষণ আমরা লড়াই চালিয়ে যাবো। যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা, দুই তৃতীয়াংশ আসন আর গায়ের জোরে গণরায়কে প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে তাদের পরিণতিও পুরোনো ফ্যাসিবাদীদের কায়দায় হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রমুখ।
এমআই