মোঃ রানা ইসলাম, শেকৃবি প্রতিনিধি:
রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে( শেকৃবি) যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে মহান মে দিবস-২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভাসহ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের প্রত্যয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
শুক্রবার (১ লা মে) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল লতিফ-এর নেতৃত্বে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে কৃষি অনুষদ ও এম. মহবুবউজ্জামান ভবন প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।
এ বছরের মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস-২০২৬ এর প্রতিপাদ্য ছিল— “সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত—আসবে এবার নব প্রভাত”। এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে প্রশাসনিক ভবনের ৪র্থ তলার কনফারেন্স কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল লতিফ। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমরা সকলে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে শ্রম দিয়ে থাকি। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নে আমরা আশাবাদী যে, ধাপে ধাপে সব দাবি নিয়মতান্ত্রিকভাবে পূরণ করা সম্ভব হবে।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় খামারের সভাপতি ও পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এম. সালাহউদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক (চলতি দায়িত্ব) কৃষিবিদ আখতার হোসেন।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশার, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ফিরোজ মাহমুদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক খন্দকার আসাদুজ্জামান কিটন, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাঃ আশাবুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আরফান আলী, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ন কবির, রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) মোঃ নজরুল ইসলাম, উপ-পরিচালক মোঃ মাহবুবুল আলম, ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) কৃষিবিদ মেহেদী মোহায়মেন-উর-রহমান এবং এস্টেট উইংয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ মোঃ আবদুল হামিদ।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খামার ও উদ্যানতত্ত্ব খামারের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এমআই